বাংলাদেশে ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড
বর্তমান ডিজিটাল যুগে তরুন প্রজন্মের কাছে ঘরে বসে আয় করার অন্যতম জনপ্রিয় একটি মাধ্যম ড্রপ শিপিং বিজনেস। ড্রপ শিপিং বিজনেস হল এমন একটি বিজনেস মডেল যেখানে আপনার কোন প্রোডাক্ট স্টক করতে হয় না।
অনেকে মনে করে বাংলাদেশ থেকে ড্রপশিপিং বিজনেস করা সম্ভব না। আজকে এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের ১৫ টি স্টেপে বাংলাদেশে ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার এ টু জেড প্রসেস দেখিয়ে দিব।
পেজ সূচিপত্রঃবাংলাদেশে ড্রপশিপিং বিজনেস শুরু করার সম্পূর্ণ গাইড
- বাংলাদেশে ড্রপ শিপিং বিজনেস আসলে কী এটি কিভাবে কাজ করে?
- বাংলাদেশে ড্রপ শিপিং ব্যবসায়ী কি কি সমস্যা হতে পারে?
- লাভজনক পন্য খুঁজে বের করুন।
- লাভজনক এবং সঠিক পণ্য কিভাবে নির্বাচন করবেন?
- নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার খুঁজে বের করার উপায়?
- একটি নাম ও ডোমেইন নির্বাচন করা।
- প্রফেশনাল ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি?
- কাস্টমার পাওয়ার জন্য সেরা কৌশল গুলো কি?
- ফেসবুক, টিকটক এবং গুগলে মার্কেটিং ট্র্যাটেজি।
- ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট লিস্টিং এবং কনটেন্ট অপটিমাইজেশন করা।
- ডেলিভারি ও রিটার্ন পলিসি তৈরি করা।
- আইনি বিষয়ে ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স।
- ড্রপ শিপিং বিজনেস এর সুবিধা গুলো কী?
- ড্রপ শিপিং বিজনেস এর অসুবিধা গুলি কি?
- শেষ কথা :
বাংলাদেশে ড্রপ শিপিং বিজনেস আসলে কী এটি কিভাবে কাজ করে?
বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং এমন এক ধরনের অনলাইন ব্যবসা যেখানে আপনার নিজের কোন দোকান বা পণ্য কিনে রাখার জন্য কোন জায়গা বা ঘর লাগবে না। অন্য কোন ব্যবসা বা প্রচলিত ব্যবসায় আপনাকে আগে টাকা দিয়ে প্রোডাক্ট কিনে স্টক করতে হয়। কিন্তু বিক্রি না হলে আবার টাকা লস যায়।কিন্তু ড্রপ শিপিং বিজনেসে এইরকম রিক্স নেই। আপনি কোন বড় কোম্পানি বা পাইকারি বিক্রেতার পণ্য নিজের ফেসবুক পেজ অথবা ওয়েবসাইটে সাজিয়ে রাখবেন। আর কাস্টমারদের আকৃষ্ট করাই হলো এই ব্যবসা প্রধান কৌশল।
বাংলাদেশে ড্রপ শিপিং মার্কেটের এই মডেলটি আরও বেশি কার্যকর। কারণ এখানে বাংলাদেশের নামী দামী জায়গা থেকে আপনি সাপ্লাইয়ারদের সাথে চুক্তি করতে পারবে। তাদের কাছে বিভিন্ন রকমের প্রোডাক্ট আছে। আপনি সে প্রোডাক্ট এর ছবি তুলে আপনার ওয়েব সাইটে বা পেজে পোস্ট করবেন।যখন অর্ডার আসবে তখন আপনি তাদের কাছ থেকে পণ্য কিনে সেল করবেন।ড্রপ শিপিং বিজনেসের মাধ্যমে আপনি ঘরে বসে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন।
ড্রপ শিপিং বিজনেসে যারা একেবারেই নতুন তাদের মনে একটি প্রশ্ন ঘুরে যেমন সাপ্লায়াররা নিজেই কেন বিক্রি করে না।কারণ একজন হোলসেলারের বা কারখানার মালিক এর মার্কেটিং বা ওয়েবসাইট কাস্টমাইজ এবং কাস্টমার হ্যান্ডেল করার সময় নেই। এজন্য তারা চায় তাদের প্রোডাক্ট কেউ বিক্রি করে দিক।আর সেই ব্যক্তি হচ্ছেন আপনি, যে কিনা কি মার্কেটিং স্কিল শিখে তাদের প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিবেন।আপনি যদি ড্রপ শিপিং বিজনেস সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি একজন ভালো ব্যবসায়ী হতে পারবেন।
বাংলাদেশে ড্রপ শিপিং ব্যবসায়ী কি কি সমস্যা হতে পারে?
ড্রপ শিপিং এর সুযোগ থাকলেও কিছু সমস্যা রয়েছে। যেমন পণ্যর মান নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘ ডেলিভারি সময়, রিটার্ন পার্সেল, বিজ্ঞাপনের খরচ সাপ্লায়ার উপর নির্ভরশীলতা। এছাড়া ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নিজেকে সতর্ক হওয়ার দরকার। তাছাড়া ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রযোজ্য আইন, কর, ভোক্তার অধিকার, পেমেন্ট এবং আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত নিয়ম কানুন সম্পর্কে ধারণা রাখা গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যবসায়ীকের। ব্যবসা বড় করার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া দরকার। এতে আপনার ব্যবসায় উন্নতি আরো ভালো হবে।
সাপ্লায়ার পন্যর মান ঠিক না রাখলে বা সময় মত পাঠাতে বাধ্য হলে কাস্টমার আপনার উপর বিশ্বাস হারাবে। বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বাচ্চার বেশ কিছু সম্ভাব্য দিক রয়েছে। ব্যবসা শুরু করার আগে এদিকগুলো জানা থাকলে ঝুঁকি কমানো এবং ভালোভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব। ড্রপ শিপিং এ ঝুঁকি থাকলেও সঠিক সাপ্লায়ার এবং ভালো পণ্য এবং রিটার্ন পলিসি পরিচালিত থাকে তাহলে আপনার ব্যবসা ভালো হবে।
বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সাপ্লায়ের মাধ্যমে ব্যবসা করলে কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগতে পারে। এজন্য ব্যবসা করার আগে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রযোজ্য আপনি যদি নতুন ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার করণীয় আগে ব্যবসা সম্পর্কে ভালো করে জানেন তারপর অভিজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করুন তারপর ভালো প্রোডাক্ট নির্বাচন করে এবং সঠিকভাবে পার্সেল কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দিন।
লাভজনক পন্য খুঁজে বের করুন।।
প্রথমে ভালো পণ্য খুঁজে বের করতে হবে। এমন পণ্য নির্বাচন করতে হবে যেটা মানুষের দৈনিন্দন কাজে ব্যবহার করে থাকে। যেমন: ফ্যাশন,গ্যাজেট,কিচেন প্রোডাক্ট এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য। এমন পণ্য নির্বাচন করতে হবে যার চাহিদা মার্কেটে ব্যাপক। বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং ব্যবসা শুরু করার আগে মার্কেট সম্পর্কে জানতে হবে। মার্কেটে কোন জিনিস বেশি ব্যবহৃত হয়। মানুষ কোন জিনিস বেশি কিনে।
আমাদের প্রথমে মার্কেট সম্পর্কে জানতে হবে। কাস্টমারদের মনের কথা বুঝতে হবে।তাহলে আপনি সকল ভাবে সার্ভিস দিতে পারবেন। লাভজনক পণ্য খুঁজে বের করতে হবে। যার মাধ্যমে লাভবান হবেন।বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রোডাক্ট রয়েছে। এরমধ্যে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে কোন প্রোডাক্ট মানুষ দৈনন্দিন কাজে বেশি ব্যবহার করে। সেই সব জিনিস দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হবে।
লাভজনক এবং সঠিক পণ্য কিভাবে নির্বাচন করবেন?
ড্রপ শিপিং বিজনেসের সফলতা নির্ভর করে সঠিক প্রোডাক্ট নির্বাচনের উপর,সব প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করা যায় না।অনলাইন ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য সঠিক পণ্য নির্বাচন করতে হবে। প্রোডাক্ট যত ভালো হবে ক্রেতার মানো তত বাড়বে। তাই ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করার আগে যেকোনো একটি ক্যাটাগরি বেছে নিন।বাংলাদেশে বর্তমান বাজারে বেশ কিছু পণ্যর চাহিদা প্রচুর।যেমন মেয়েদের বিউটি ও স্কিন কেয়ার, বাচ্চাদের খেলনা,স্মার্ট ওয়াচ হেডফোন,ঘর সাজানোর জন্য আকর্ষণীয় প্রোডাক্ট, ইসলামিক লাইফ স্টাইল প্রোডাক্ট ইত্যাদি। আর পণ্য বাছায় করার সময় খেয়াল রাখতে হবে জিনিসটা যেন একটু আনকমন বা আলাদা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ কথা : ড্রপ শিপিং বিজনেস এর জন্য প্রোডাক্ট নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫টি শর্ত অবশ্যই মানবেন।
- প্রোডাক্ট এর ওজন যেন কম হয়,যাতে করে ডেলিভারি চার্জ কম লাগে।
- প্রোডাক্ট এর দাম ৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকার মধ্যে হতে হবে।
- এমন প্রোডাক্ট বাছায় করতে হবে যেটা মানুষ সচারচর কিনে থাকে।
- ফেসবুকে ভিডিও দিয়ে মার্কেটিং করা যায় এমন প্রোডাক্ট বাছায় করতে হবে।
- এমন প্রোডাক্ট বাছাই করতে হবে যেন সহজে নষ্ট না হয়।
ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে আপনাকে আগে মার্কেট সম্পর্কে জানতে হবে মার্কেটে কি বেশি চলে। আপনি এর জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে আইডিয়া নিতে পারেন যেমন Google Trend,Facebook ad,Libraryএবং Daraz Best Seller লিস্ট থেকে আপনি প্রোডাক্টের আইডিয়া নিতে পারেন।
নির্ভরযোগ্য সাপ্লায়ার খুঁজে বের করার উপায়?
ড্রপ শিপিং বিজনেসের ক্ষেত্রে,সাপ্লায়ার হলো আপনার ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। ভালো সাপ্লায়ার না পেলে কাস্টমার প্রোডাক্ট খারাপ পাবে আপনার ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে এমনকি ক্রেতার চোখে আপনি খারাপ হবেন। বাংলাদেশে লোকাল ড্রপ শিপিং বিজনেসের জন্য সেরা জায়গা হলো ঢাকা চকবাজার, নিউ এলিফ্যান্ট রোড,ইসলামপুর, এবং গুলিস্তান। ব্যবসা করার জন্য আমি সরাসরি সেখানে গিয়ে বলবেন আপনি কি অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রি করতে চান। চাইলে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল ড্রপ শিপিং বিজনেস করতে চান তাহলে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় কিভাবে বিক্রি করবেন। তাহলে সাপ্লায়ার লাগবে AliExpress,CJdropshipping,Alibaba,and Zendrop থেকে।এখানে CJdropshipping বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে ভালো কারণ তারা USAতে ৭থেকে ১০দিনের মধ্যে ডেলিভারি দেয় এবং আপনার ব্র্যান্ড লোগো সহ প্যাকেজিং করে দেয়। আর একটি কথা সাপ্লায়ার ভালো মানে হলেও প্রথমে ছোট পরিমাণ দিয়ে পরীক্ষা করুন।তারপর ধীরে ধীরে নিরাপদে অর্ডার বাড়ান।
একজন ভালো সাপ্লায়ার যাচাই করার তিনটি উপায় আছে।
- প্রথমে তার কাছে এক পিস প্রোডাক্ট সেম্পল হিসেবে নিজের জন্য অর্ডার করুন এরপর কোয়ালিটি চেক করুন।
- তার রেসপন্স টাইম দেখুন মেসেজ দিলে ১২ ঘন্টার মধ্যে রিপ্লাই দিচ্ছে কিনা।
- তার রিটার্ন পলিসি আছে কিনা জিজ্ঞেস করুন।
যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবে:
- অস্বাভাবিক ভাবে পণ্যর দাম কম।
- যদি স্যাম্পল দিতে রাজি না হয়।
- কোম্পানি তথ্য যদি দিতে না চায়।
- ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে চাপ প্রয়োগ করে।
- খুব দ্রুত টাকা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা।
- রিভিউ বা ব্যবসার কোন তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া নেই।
বিজনেস এর জন্য একটি নাম ও ডোমেইন নির্বাচন করা।
আপনার দোকানের নামই আপনার ব্র্যান্ড লোগো। এমন নাম নির্বাচন করতে হবে যেটা মানুষ সহজে মনে রাখতে পারে এবং উচ্চারণ করতে পারে। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার জন্য একটি নাম ও ডোমেইন নির্বাচন করতে হবে।এমন নাম নির্বাচন করতে হবে যেন সেই নাম মানুষ খুব সহজেই খুজতে পারে।যেমন:আপনিযদিএকটি কিচেন গেজেট বিক্রি করতে চান তাহলে Rannaghor,KitchenWave,GhorerHaat এমন নাম দিতে পারেন।নাম কখনোই খুব বড় বা জটিল দেবেন না।
ব্যবসার জন্য ডোমেইন হিসেবে পছন্দ করা উচিত companyname.com।যেহেতু ডোমেইন ব্যবসার জন্য ব্যবহার করব তাই কোম্পানির নামে ডোমের নাম হওয়া উচিত। ডোমেন কেনার জন্য বাংলাদেশ থেকে Namecheap বা GoDaddy থেকে কিনতে পারেন। একটি ডোমেইন নাম কেবল একবারই নিবন্ধন করতে হয় এবং এই নিবন্ধনটি সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য। ডোমেইন নাম নির্বাচন করার পূর্বে একটি বিষয় যাচাই করে নিবেন সেটি হল ডোমেইন ফাঁকা আছে কিনা।
অনেকেই ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করে এটা কখনোই করবেন না,ফ্রি ডোমেইন দেখলে কাস্টমার আপনার সাইটকে ফেক মনে করবে এবং গুগল কোন রাঙ্ক দিবে না।একটি ভালো ডোমেইন আপনার ব্যবসাকে প্রফেশনাল করে দিতে পারে।এজন্য আমাদের সকল দিক বিবেচনা করে ডোমেইন নাম নির্বাচন করা উচিত। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রেও ডোমেইন লাগে।
প্রফেশনাল ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি?
বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস এর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ মাধ্যম হলো Shopif। Shopify দিয়ে ২ ঘণ্টার মধ্যে একটি প্রফেশনাল দোকান বানানো সম্ভব।Shopify এর মাসিক খরচ ২৫ ডলার,কিন্তু তারা প্রথম ৩ মাস ১ডলারের অফার দেয়।আর বাংলাদেশে অনেক লোকাল ড্রপ শিপিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে তারা খুব সহজে পণ্য সরবরাহ করে থাকে। নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ShopifyShopify বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পার।
ড্রপ শিপিং বিজনেস এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট বানানোর সময় কয়েকটি পেজ অবশ্যই থাকতে হবে যেমন হোম পেজ,প্রোডাক্ট পেজ, about us,Contact us, privacy policy, shipping policy. এইসব পেজ না থাকলে ফেসবুক আপনার এড রিজেক্ট করে দিবে এবং কাস্টমার বিশ্বাস করবে না। ওয়েবসাইটের ডিজাইন অবশ্যই ক্লিন হতে হবে এবং মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মোবাইল দিয়ে কেনাকাটা করে। এজন্য ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে এইসব কাজ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
প্রোডাক্ট পেজে অবশ্যই হাই কোয়ালিটি ছবি এবং ভিডিও এড করতে হবে। তারপর কাস্টমার রিভিউ এবং FAQ যোগ করতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এখনো ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য কিনতে বেশি পছন্দ করে। তাই কোড না থাকলে আপনার সেল কমে যাবে। এজন্য আমাদের সকল দিক বিবেচনা করে কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
কাস্টমার পাওয়ার জন্য সেরা কৌশল গুলো কি?
আপনার অনলাইন দোকানে শুধু ফোনের ছবি আর পন্যর দাম লিখে রাখলেই ক্রেতারা নিজ থেকে চলে আসবে না। ওয়েবসাইটে কাস্টমার নিয়ে আসার জন্য সঠিক উপায় এবং বুদ্ধি খাটিয়ে নিজের ব্র্যান্ডের প্রচার এবং মার্কেটিং করতে হবে।বিজনেস এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুত কাস্টমার এবং অর্ডার পাওয়ার জন্য আপনার করণীয় হল ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম টার্গেটেড অডিয়েন্স এর কাছে অল্প টাকায় পেইড বুস্টিং এবং বিজ্ঞাপন দেওয়া। বিজ্ঞাপন আর ভিডিও যত ভালো হবে ক্রেতার মান তত বাড়বে। আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন।
ভালোভাবে প্রচার করতে পারলে খুব সহজেই আপনার পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে যাবে।তাছাড়া কোন টাকা খরচ না করে কাস্টমার পাওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে একটি ভালো মাধ্যম হলো টিকটক, ফেসবুকে,ছোট ছোট সুন্দর রিভিউ এবং শর্ট ভিডিও বানিয়ে আপলোড করা।এতে করে আপনার পণ্য সবার পৌঁছে যাবে।বর্তমান যুগে শর্ট ভিডিওর মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষের কাছে আপনার পণ্যর বিজ্ঞাপন পৌঁছে যাবে। এতে করে আপনি খুব দ্রুত কাস্টমার পাবেন। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে সকল দিক বিবেচনা করে ব্যবসা করা উচিত।
কাস্টমার পাওয়ার জন্য আরেকটি ভালো উপায় হল বন্যার দাম সঠিকভাবে নির্ধারণ করা। কেননা দামের উপর ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি। দাম নির্ধারণের জন্য আপনার করণীয় হল সাইকোলজিক্যাল প্রাইসিং।যেমন পণ্যের দাম রাখবেন ১০০০ টাকার পরিবর্তে ৯৯৯ টাকা লিখুন। এতে করে কাস্টমারদের কাছে দাম কম মনে হবে এবং অবশ্যই ব্যান্ডেল অফার দিবেন। যেমন একটা কিনলে ১১৯৯ টাকা আর ২ টা কিনলে ১৯৯৯।এতে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়বে, আপনার Average order Value ও বাড়বে এবং লাভ বেশি হবে।
ফেসবুক, টিকটক এবং গুগলে মার্কেটিং ট্র্যাটেজি।
আপনার দোকানের জন্য এখন কাস্টমার লাগবে। এর জন্য আপনার করণীয় উল্লেখ করা হলো। বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেসের জন্য সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো ফেসবুক এড এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন চালানো। প্রথমে ৫০০ টাকা দিয়ে শুরু করুন। একটি শর্ট ভিডিও এড বানান ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ডের ভিতর। ভিডিওতে আপনার প্রোডাক্ট এর প্রচার চালান প্রোডাক্টের ধরন প্রোডাক্ট কোন ব্র্যান্ডের বিশেষ দিকগুলো ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরুন।কখনো ছবি দিয়ে অ্যাড চালাবেন না কারণ ভিডিওতে সেল বেশি হয়। ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনার পুরো ফোকাস দিন।
২০২৬ সালের বাংলাদেশের সবচেয়ে এগিয়ে আসে টিকটক।টিকটকে এড চালালে দ্রুত ভাইরাল হবে। এটি ফেসবুকের চেয়ে ৫০% সস্তা আছে । আপনি tiktok এ ৩০০ টাকা দিয়ে এড চালাতে পারেন। ড্রপ শিপিং বিজনেস এর জন্য tiktok এ এমন ভিডিও এড তৈরি করুন যেন মনে হয় মানুষ প্রোডাক্ট রিসিভ করছে। এইসব ভিডিও দেখলে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়বে। এই ধরনের ভিডিও মানুষ বিশ্বাসও করে। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে আপনাকে ক্রেতাদের মন জয় করতে হবে।
ফেসবুক এড,ফেসবুক পাশাপাশি আপনি ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং করতে পারেন। টিকটকের মতো ফেসবুকে ও এড ভিডিও এবং বিজ্ঞাপন চালাতে হবে। ফেসবুকে ১০ হাজার ফলোয়ার আছে এমন ইনফ্লুয়েন্সারদের ৫০০-১০০০ টাকা দিলে আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে তারা ভিডিও বানিয়ে দিবে। এতে আপনার ব্র্যান্ডের এবং পন্যর মান বারবে বিশ্বাস যোগ্যতা বাড়বে। একটি ফেসবুক পেজ খুলে প্রতিদিন দুইটা করে ভিডিও আপলোড করুন আর কাস্টমারদের মেসেজের রিপ্লাই দিন।
ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট লিস্টিং এবং কনটেন্ট অপটিমাইজেশন করা।
একটি ভালো প্রোডাক্ট লিস্টিং আপনার সেল দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।প্রোডাক্টের টাইটেল কখনো Beautiful Watch এর মতে করে দেবেন না । প্রোডাক্টের টাইটেল এমন হতে হবে এসিও ফ্রেন্ডলি এবং বেনিফিট সহ। টাইটেলের মানুষ কি লিখে সার্চ করে সেটা যোগ করুন।মানুষ কি বিষয়ক প্রোডাক্ট চায় সেই মোতাবেক টাইটেল ভিডিও এড তৈরি করুন। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে এইসব করণীয়।
প্রোডাক্ট এর বর্ণনা কখনোই সাপ্লারদের কপি পেস্ট করবেন না । নিজের ভাষায় নিজের মতো করে লিখুন। প্রথমে সমস্যার কথা বলুন তারপর আপনার প্রোডাক্ট কিভাবে সেই সমস্যার সমাধান করবে সেটা বলুন। তারপর ফিচার এবং কল টু একশন যোগ করুন। যেমন: অডিনারি আইটি এর মতো করে বড় সাইটগুলো যেভাবে প্রতিদিন মানুষের জীবনের সাথে মিলিয়ে আর্টিকেল লিখে। এখন ছবির ক্ষেত্রে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড এর ছবি এবং লাইফস্টাইল ছবি ব্যবহার করুন। যাতে ক্রেতার আকর্ষণ বাড়ে।
এছাড়া পেজে প্রোডাক্টের রিভিউ অবশ্যই দিবেন।রিভিউ বেশি হলে ক্রেতাদের আকর্ষণ ও বিশ্বাসও বেশি হবে। কাস্টমার রিভিউ স্টক যেমন আর মাত্র ৭ দিন বাকি আছে এবং ফ্রি ডেলিভারি ব্যাজ যোগ করুন। এইসব আকর্ষণীয় অফার দেখলে মানুষ প্রোডাক্ট কিনতে ইচ্ছুক হবে। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার জন্য আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকদের আকৃষ্ট করা।
ডেলিভারি ও রিটার্ন পলিসি তৈরি করা।
প্রোডাক্ট ডেলিভারি করার জন্য কখনোই নিজে কুরিয়ারে যাবেন না। এখন বাংলাদেশে অনেক কুরিয়ার আছে যারা আপনার বাসা থেকে প্রোডাক্ট নিয়ে কাস্টমারের বাসায় দিয়া আসে এবং টাকা কালেক্ট করে আপনার বিকাশে অথবা নগদ একাউন্টে পৌঁছে দেই। তাদের ডেলিভারি চার্জ ঢাকার ভিতরে হলে ৭০ টাকা আর ঢাকার বাইরে হলে ১৩০ টাকা।আপনি একটি কোম্পানির সাথে চুক্তি করুন তারা আপনাকে একটি মার্চেন্ট প্যানেল দেবে। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার জন্য আপনি ঘরে বসেই এসব কাজ করতে পারবেন।
এখন আপনার ওয়েবসাইটে একটি পরিষ্কার রিটার্ন পলেসি থাকতে হবে। যেমন প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে নিবেন কোন সমস্যা থাকলে ডেলিভারি ম্যান কে জানাবেন। অবশ্যই ডেলিভারি ম্যান থাকা অবস্থায় আপনাকে কমপ্লেন করতে হবে ডেলিভারি ম্যান চলে যাওয়ার পর আপনার কোন অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না। কিংবা মধ্যে রিটার্ন সুবিধা ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এতে কাস্টমারের আপনার উপর ভরসা বাড়বে। বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে আপনাকে এসব দিক বিবেচনা করতে হবে।
ডেলিভারি করার সময় অবশ্যই আপনার ব্রান্ডের একটি ছোট কার্ড বা স্টিকার প্রোডাক্টের সাথে পার্সেল দিন।এতে করে কাস্টমার মনে করবে আপনি একজন প্রফেশনাল ব্যবসায়িক। সেই কাস্টমারকে পরবর্তীতে কেনাকাটার জন্য ১০% ডিসকাউন্ট কোড দিন। কখনোই কাস্টমারের কাছে প্রোডাক্ট শুধু পলিথিনে মুড়িয়ে পাঠাবেন না। প্রডাক্টটি সুন্দর করে প্যাকেজিং করে তারপর পাঠাবেন।এতে করে কাস্টমারের মন জয় করতে পারবেন। ড্রপ শিপিং বিজনেস করার ক্ষেত্রে কাস্টমার এর মন জয় করা আসল কাজ।
আইনি বিষয়ে ট্রেড লাইসেন্স ও ট্যাক্স।
অনেকেই ভাবেন ড্রপ শিপিং বিজনেস করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স লাগেনা। শুরুতে না লাগলেও যখন আপনি মাসে ৫০ হাজার টাকা বেশি সেল করতে পারবেন, তখন অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স করতে ১৫০০থেকে ৩০০০ হাজার এর টাকা লাগে।ট্রেড লাইসেন্স করতে আপনার করণীয় আপনি আপনার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে পারেন।ড্রপ শিপিং বিজনেস করার জন্য আপনি যে পেমেন্ট তুলবেন তার জন্য ট্রেড লাইসেন্স থাকা দরকার এর মাধ্যমে সহজেই বিকাশ মার্চেন্ট এবং ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।তার মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
আপনি যদি বাংলাদেশে বছরের ৩.৫ লক্ষ টাকার বেশি আয় করেন তাহলে ট্যাক্স দিতে হবে।তাই শুরুতেই ট্যাক্স নিয়ে কোন চিন্তা করার দরকার নেই। আপনার যদি আয় বেশি হয় তাহলে ট্যাক্স দিতে হবে। তবে আপনার আয় এবং ব্যয়ের হিসাব খাতায় লিখে রাখুন যেটা ভবিষ্যৎ কাজে লাগবে। বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং করার জন্য এইসব দিক অবলম্বন করলেই হবে। আর আপনি যদি ইন্টারন্যাশনাল ড্রপ শিপিং বিজনেস করতে চান তাহলে আপনার দরকার TIN Certificate লাগবে Payoneer এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন।
বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে অবশ্যই Privacy policy and Terms, conditions পেজ রাখুন। এটি শুধু আইনের জন্য নয় বরং ফেসবুক এড এবং গুগল এডসেন্স এপ্রুভালের জন্য বাধ্যতামূলক। আপনি বিনামূল্যে প্রাইভেসি পলিসি জেনেটার দিয়ে এই পেজগুলো বানিয়ে নিতে পারবেন। আশা করি আমার কথা বুঝতে পারছেন।
ড্রপ শিপিং বিজনেস এর সুবিধা গুলো কী?
সামান্য পুঁজিতে এটা ব্যবসা শুরু করা ড্রপ শিপিং বিজনেস এর সবচেয়ে বড় এবং আকর্ষণীয় সুবিধা করা। প্রথমত ই-কমার্স ব্যবসার মতো লাখ লাখ টাকা পণ্য কিনে টাকা আটকে রাখার কোন ভয় নেই। আরেকটি বড় সুবিধা হল ব্যাঙ্কিং বা ডেলিভারি ঝামেলা নেই। পণ্য রাখার জন্য কোন দোকান বা জায়গা দরকার পড়ে না। পণ্য বিক্রি করার জন্য কুরিয়ারে গিয়ে লাইন ধরে পাঠানোর কোন প্রয়োজন পড়ে না। ড্রপ শিপিং ব্যবসা আপনি ঘরে বসে করতে পারবেন। প্রোডাক্টপ্যাক করা পার্সেল করা এসব কোন কাজই করা লাগে না।
এইসব ঝামেলার কাজ আপনার হয়ে পাইকারি বিক্রেতা এবং সাপ্লায়াররা এইসব সামলে নিবে। ড্রপ শিপিং ব্যবসা দিয়ে আপনাকে কাজের দারুন স্বাধীনতার দেই। আপনি স্বাধীনভাবে যখন ইচ্ছে তখন কাজ করতে পারে। এই কাজ আপনি ঘরে বসে করতে পারবেন। আপনার কাছে যদি শুধু একটি স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট থাকে তাহলে আপনি কাজ করতে পারবেন। আপনি দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসে এই কাজটি করতে পারেন।বা একটি ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে। বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেসের অনেক সুবিধা রয়েছে।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে তরুণ প্রজন্মের কাছে বিনা পুঁজিতে ব্যবসা করার একটি মাধ্যম হলো ড্রপ শিপিং বিজনেস। আপনি ব্যবসাটি ঘরে বসে করতে পারবেন। কোন পণ্য কিনে রাখার ঝামেলা নেই ড্রপ শিপিং বিজনেস এ।বাংলাদেশের ড্রপ শিপিং বিজনেস হলো এক ধরনের অনলাইন ব্যবসা যেখানে আপনার নিজের কোন দোকান বা পণ্য কিনে রাখার ঘর লাগে না। বাংলাদেশ সাধারণত দুইভাবে ড্রপ শিপিং ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব। প্রথম লোকাল ড্রপ শিপিং দ্বিতীয় গ্লোবাল বা আন্তর্জাতিক ড্র শিপিং।
ড্রপ শিপিং বিজনেস এর অসুবিধা গুলি কি?
সকল ব্যবসার ক্ষেত্রেই সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধা ও রয়েছে। ড্রপ শিপিং শুরু করার আগে আপনার খারাপ দিকগুলো জেনে রাখা উচিত।ড্রপ শিপিং ব্যবসার প্রধান অসুবিধা হল পণ্যের কোয়ালিটি ও গুনাগুন মান এর উপর আপনার সরাসরি কোন হাত বা নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এজন্য এটি ড্রপ শিপিং এর জন্য সবচেয়ে বড় অসুবিধা। আপনার সাপ্লাইয়ার যদি ভুলবশত কোন কাস্টমারকে খারাপ বা ভাঙ্গা বা ভুল সাইজের পণ্য পাঠায় তাহলে আপনি অসুবিধার মুখোমুখি হবেন।কারণ কাস্টমার সাপ্লায়ার কে চিনবে না কাস্টমার আপনার পেজ থেকে জিনিস কিনবে এজন্য কাস্টমার আপনাকে চিনবে আর আপনি অসুবিধার মুখোমুখি হবেন।
সাপ্লাইয়ের জন্য আপনার পেজে রিভিউ খারাপ হবে এবং ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া অন্য আরো কারণে ও ক্রেতারা অসন্তুষ্টি বোধ করে। মাঝে মাঝে কুরিয়ার সার্ভিসে দেরির কারণে সাপ্লায়ারদের টক শেষ হয়ে যায় এর কারণে ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হতে পারে। এজন্য শুরুতেই আপনাকে একজন ভালো এবং দক্ষ সাপ্লায়ার নির্বাচিত করতে হবে।ভালো সাপ্লায়ার খুঁজে নিতে পারলে এইসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
আপনি যদি এই ব্যবসায় ভালোভাবে নজর না দেন তাহলে আপনার ব্যবসার ক্ষতি হবে। ড্রপ শিপিং ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকতে হলে আপনাকে কাস্টমার সার্ভিসের উপর জোর দিতে হবে। কাস্টমার সন্তুষ্ট হলে আপনার ব্যবসা ভালো চলবে। কাস্টমারের যদি কোন পণ্যের সমস্যা হয় তবে সেটি সহজে ফেরত নেওয়া বা পরিবর্তন করে দেওয়ার একটি সহজ পলিসি এখন। না রাখলে আপনার ব্যবসার ক্ষতি হবে ক্রেতার ভরসা হারিয়ে ফেলবেন।তখন অনেক অসুবিধার মুখোমুখি হবেন।
শেষ কথা :
উপরোক্ত বিষয়গুলো মেনে চললে আশা করা যায় আপনি ঘরে বসেই ড্রপ শিপিং বিজনেস শুরু করতে পারবেন। একটি সফল ব্যবসায় দাঁড় করানোর জন্য সকল বিষয় বিবেচনা করা দরকার ভালো-মন্দ সকল দিক নির্বাচন করে ব্যবসা দাঁড় করানো উচিত।
মনে রাখবেন শুরু করাটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ, একবার শুরু করলে রাস্তা নিজে নিজেই তৈরি হবে।নিজের উপর ভরসা রাখুন। মহান আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যান।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url